✍️বিকল্প ভিত্তিক প্রশ্নগুলির উত্তর দাও(প্রশ্নের মান-১):
১. অনুসূর অবস্থানে সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যে দূরত্ব কত?
ক. ১৫ কোটি কিমি খ. ১৪ কোটি কিমি গ. ১৫.২০ কোটি কিমি ঘ. ১৪.৭০ কোটি কিমি
উত্তর: ঘ. ১৪.৭০ কোটি কিমি।
২. মকরসংক্রান্তির দিনে মকরক্রান্তি রেখায় সূর্যের কিরণের সর্বাধিক পতনকোণ কত?
ক. ৯০° খ. ৬৬.৫° গ. ৪৭° ঘ. ৪৩°
উত্তর: ক. ৯০°।
৩. পৃথিবীর অনুসূর অবস্থান ঘটে কোন দিনে?
ক. ৩ জানুয়ারি খ. ৪ জানুয়ারি গ. ২১ মার্চ ঘ. ২৩ সেপ্টেম্বর
উত্তর: ক. ৩ জানুয়ারি।
৪. উত্তর গোলার্ধে দীর্ঘতম রাত্রি হয় কোন দিনে?
ক. ২১ মার্চ খ. ২৩ সেপ্টেম্বর গ. ২১ জুলাই ঘ. ২২ ডিসেম্বর
উত্তর: ঘ. ২২ ডিসেম্বর।
৫. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশে গ্রীষ্মকাল শুরু হয় কোন মাসে?
ক. জুন খ. জুলাই গ. ডিসেম্বর ঘ. সেপ্টেম্বর
উত্তর: গ. ডিসেম্বর।
৬. অনুসূর অবস্থায় সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যে দূরত্ব কত?
ক. ১৫ কোটি কিমি খ. ১৪ কোটি কিমি গ. ১৫.২০ কোটি কিমি ঘ. ১৪.৭০ কোটি কিমি
উত্তর: ঘ. ১৪.৭০ কোটি কিমি।
৭. পৃথিবীর অপসূর অবস্থান ঘটে কোন দিনে?
ক. ৪ জুলাই খ. ৩ জানুয়ারি গ. ২৩ সেপ্টেম্বর ঘ. ২২ ডিসেম্বর
উত্তর: ক. ৪ জুলাই।
৮. সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দেয় কোন দিনে?
ক. ২১ মার্চ খ. ২২ ডিসেম্বর গ. ২৩ সেপ্টেম্বর ঘ. ২১ জুন
উত্তর: ঘ. ২১ জুন।
৯. দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে ছোটো রাত হয় কোন দিনে?
ক. ২১ জুন খ. ২৩ সেপ্টেম্বর গ. ২২ ডিসেম্বর ঘ. ২১ মার্চ
উত্তর: গ. ২২ ডিসেম্বর।
১০. ‘বসন্ত বিষুব’ বলা হয় কোন দিনটিকে?
ক. ২১ মার্চ খ. ২১ সেপ্টেম্বর গ. ২২ ডিসেম্বর ঘ. ৪ জুলাই
উত্তর: ক. ২১ মার্চ।
১১. পৃথিবীর অক্ষ তার কক্ষতলের সঙ্গে কত কোণে হেলে রয়েছে?
ক. ০° খ. ৯০° গ. ৬৬½° ঘ. ২৩½°
উত্তর: গ. ৬৬½°।
১২. যে অক্ষরেখায় পৃথিবীর অভিকর্ষ বলের মান সর্বনিম্ন, তা কোনটি?
ক. নিরক্ষরেখা খ. সুমেরুবৃত্ত রেখা গ. কর্কটক্রান্তি রেখা ঘ. মকরক্রান্তি রেখা
উত্তর: ক. নিরক্ষরেখা।
১৩. সূর্যের উত্তরায়নের শেষসীমা কোন রেখা?
ক. মকরক্রান্তি রেখা খ. কর্কটক্রান্তি রেখা গ. কুমেরুবৃত্ত রেখা ঘ. সুমেরুবৃত্ত রেখা
উত্তর: খ. কর্কটক্রান্তি রেখা।
১৪. বুধ গ্রহ একবার আবর্তনে কত সময় নেয়?
ক. ৫৫ ঘণ্টা খ. ৫৮ ঘণ্টা গ. ৫৮ দিন ১৫ ঘণ্টা ঘ. ৫৯ দিন
উত্তর: গ. ৫৮ দিন ১৫ ঘণ্টা।
১৫. উত্তর গোলার্ধে দীর্ঘতম রাত্রি ঘটে কোন দিনে?
ক. ২১ মার্চ খ. ২৩ সেপ্টেম্বর গ. ২১ জুলাই ঘ. ২২ ডিসেম্বর
উত্তর: ঘ. ২২ ডিসেম্বর।
১৬. পৃথিবী সূর্যকে পরিক্রমণের গতিকে কী বলা হয়?
ক. আহ্নিক গতি খ. আপাত গতি গ. বার্ষিক গতি ঘ. দৈনিক গতি
উত্তর: গ. বার্ষিক গতি।
১৭. নিশীথ সূর্যের দেশ নামে কোন দেশ পরিচিত?
ক. অস্ট্রেলিয়া খ. নরওয়ে গ. জাপান ঘ. শ্রীলঙ্কা
উত্তর: খ. নরওয়ে।
১৮. পৃথিবী নিজের অক্ষের ওপর আবর্তনের ফলে পৃথিবীর আকৃতি কেমন হয়?
ক. গোলাকার খ. চ্যাপ্টা গ. অভিগত গোলাকার ঘ. ত্রিভুজ আকৃতির
উত্তর: গ. অভিগত গোলাকার।
১৯. মকরসংক্রান্তির দিন কোনটি?
ক. ২১ মার্চ খ. ২১ জুলাই গ. ২২ ডিসেম্বর ঘ. ২৫ ডিসেম্বর
উত্তর: গ. ২২ ডিসেম্বর।
২০. নিরক্ষরেখায় দীর্ঘতম দিন কত ঘণ্টার?
ক. ১১ ঘণ্টা খ. ১২ ঘণ্টা গ. ১৩ ঘণ্টা ঘ. ১২.৫ ঘণ্টা
উত্তর: খ. ১২ ঘণ্টা।
২১. উত্তর গোলার্ধে যখন শরৎকাল থাকে, তখন দক্ষিণ গোলার্ধে কোন ঋতু বিরাজ করে?
ক. শীতকাল খ. গ্রীষ্মকাল গ. বসন্তকাল ঘ. শরৎকাল
উত্তর: গ. বসন্তকাল।
২২. নেপচুন গ্রহের একবার সূর্যকে পরিক্রমণ করতে কত সময় লাগে?
ক. ১৬৫ বছর খ. ১৬০ বছর গ. ১৫৫ বছর ঘ. ১৫০ বছর
উত্তর: ক. ১৬৫ বছর।
২৩. উত্তর গোলার্ধে বছরের দীর্ঘতম রাত্রি কোন দিনে ঘটে?
ক. ২১ মার্চ খ. ২৩ সেপ্টেম্বর গ. ২১ জুলাই ঘ. ২২ ডিসেম্বর
উত্তর: ঘ. ২২ ডিসেম্বর।
২৪. পৃথিবীর আবর্তন গতির ফলে কোন প্রক্রিয়া ঘটে?
ক. দিনরাত্রির সৃষ্টি খ. দিনরাত্রির দৈর্ঘ্যের পরিবর্তন গ. বছর গণনা ঘ. ঋতুর পরিবর্তন
উত্তর: ক. দিনরাত্রির সৃষ্টি।
২৫. পৃথিবীর সূর্যকে পরিক্রমণের গতিকে কী বলা হয়?
ক. আহ্নিক গতি খ. আপাত গতি গ. বার্ষিক গতি ঘ. দৈনিক গতি
উত্তর: গ. বার্ষিক গতি।
২৬. জলবিষুব (Autumnal Equinox) কোন দিনে ঘটে?
ক. ২৩ জুন খ. ২৩ আগস্ট গ. ২৩ সেপ্টেম্বর ঘ. ২৩ নভেম্বর
উত্তর: গ. ২৩ সেপ্টেম্বর।
২৭. ১° দ্রাঘিমার পার্থক্যে সময়ের পার্থক্য কত হয়?
ক. ৪ মিনিট খ. ৬০ মিনিট গ. ১ ঘণ্টা ঘ. ২ ঘণ্টা
উত্তর: ক. ৪ মিনিট।
২৮. পৃথিবীর গতির সংখ্যা কত?
ক. একটি খ. দুটি গ. তিনটি ঘ. চারটি
উত্তর: খ. দুটি।
২৯. মহাবিষুব (Spring Equinox) কোন দিনে ঘটে?
ক. ২১ মার্চ খ. ২১ জুন গ. ২৩ সেপ্টেম্বর ঘ. ২২ ডিসেম্বর
উত্তর: ক. ২১ মার্চ।
৩০. ফুকো প্যারিসের প্যান্থিয়ন গির্জায় পরীক্ষাটি করেন কোন সালে?
ক. ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দে খ. ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে গ. ১৮৫১ খ্রিস্টাব্দে ঘ. ১৮৫০ খ্রিস্টাব্দে
উত্তর: গ. ১৮৫১ খ্রিস্টাব্দে।
৩১. সূর্যের উত্তরায়ণ কখন শেষ হয়?
ক. ২২ জুলাই খ. ২১ জুলাই গ. ২১ জুন ঘ. ২১ মার্চ
উত্তর: গ. ২১ জুন।
৩২. পৃথিবীর মোট গতির সংখ্যা কত?
ক. একটি খ. দুটি গ. তিনটি ঘ. চারটি
উত্তর: খ. দুটি।
৩৩. মকরসংক্রান্তির দিনে মকরক্রান্তি রেখায় সূর্যরশ্মির সর্বাধিক পতনকোণ কত?
ক. ৯০° খ. ৬৬.৫° গ. ৪৭° ঘ. ৪৩°
উত্তর: ক. ৯০°।
৩৪. সঠিক জোড়াটি নির্বাচন করুন:
ক. ২২ ডিসেম্বর থেকে ২১ জুন – উত্তরায়ণ
খ. কর্কট সংক্রান্তি – উভয় গোলার্ধে দিন-রাত সমান
গ. ২২ ডিসেম্বর থেকে ২১ জুন – দক্ষিণায়ন
ঘ. অপসূর অবস্থান – প্রায় ১৪ কোটি ৭০ লক্ষ কিলোমিটার
উত্তর: ক. ২২ ডিসেম্বর থেকে ২১ জুন – উত্তরায়ণ।
৩৫. নিরক্ষরেখায় অভিকর্ষের মান সর্বাধিক কোন অঞ্চলে?
ক. নিরক্ষরেখা খ. সুমেরুবৃত্ত রেখা গ. কর্কটক্রান্তি রেখা ঘ. মকরক্রান্তি রেখা
উত্তর: ক. নিরক্ষরেখা।
৩৬. অধিবর্ষে মোট কত দিন থাকে?
ক. ৩৬৩ দিন খ. ৩৬৪ দিন গ. ৩৬৫ দিন ঘ. ৩৬৬ দিন
উত্তর: ঘ. ৩৬৬ দিন।
৩৭. পৃথিবীর অনুসূর অবস্থানের দিন কোনটি?
ক. ৩ জানুয়ারি খ. ৪ জানুয়ারি গ. ২১ মার্চ ঘ. ২৩ সেপ্টেম্বর
উত্তর: ক. ৩ জানুয়ারি।
৩৮. কলকাতায় পৃথিবীর আবর্তন বেগ ঘণ্টায় কত?
ক. ১৫৪৭ কিমি খ. ১৬৭৪ কিমি গ. ০ কিমি ঘ. ৬৬৬ কিমি
উত্তর: ক. ১৫৪৭ কিমি।
৩৯. সারাবছর প্রায় দিন-রাত্রি সমান থাকে কোন অঞ্চলে?
ক. নিরক্ষীয় অঞ্চল খ. সুমেরু অঞ্চল গ. কুমেরু অঞ্চল ঘ. মধ্য অক্ষাংশীয় অঞ্চল
উত্তর: ক. নিরক্ষীয় অঞ্চল।
৪০. অধিবর্ষে মোট কত দিন থাকে?
ক. ৩৬৩ দিন খ. ৩৬৪ দিন গ. ৩৬৫ দিন ঘ. ৩৬৬ দিন
উত্তর: ঘ. ৩৬৬ দিন।
৪১. বুধ গ্রহের একবার আবর্তনে কত সময় লাগে?
ক. ৫৫ ঘণ্টা খ. ৫৮ ঘণ্টা গ. ৫৮ দিন ১৫ ঘণ্টা ঘ. ৫৯ দিন
উত্তর: গ. ৫৮ দিন ১৫ ঘণ্টা।
৪২. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশে গ্রীষ্মকাল কোন মাসে শুরু হয়?
ক. জুন খ. জুলাই গ. ডিসেম্বর ঘ. সেপ্টেম্বর
উত্তর: গ. ডিসেম্বর।
৪৩. উত্তর গোলার্ধে যখন শরৎকাল, দক্ষিণ গোলার্ধে তখন কোন ঋতু থাকে?
(ক) শীতকাল (খ) গ্রীষ্মকাল (গ) বসন্তকাল (ঘ) শরৎকাল
উত্তর: (গ) বসন্তকাল।
৪৪. মহাবিষুব কোন দিনে ঘটে?
(ক) ২১ মার্চ (খ) ২১ জুন (গ) ২৩ সেপ্টেম্বর (ঘ) ২২ ডিসেম্বর
উত্তর: (ক) ২১ মার্চ এবং (গ) ২৩ সেপ্টেম্বর।
৪৫. মেরুবিন্দুতে পৃথিবীর আবর্তন বেগ কত?
(ক) ৬৬৬ কিমি/ঘণ্টা (খ) ১৫৩৬ কিমি/ঘণ্টা (গ) ১৬৭৪ কিমি/ঘণ্টা (ঘ) ০ কিমি/ঘণ্টা
উত্তর: (ঘ) ০ কিমি/ঘণ্টা।
৪৬. পৃথিবীর অনুসূর অবস্থানের দিনটি কবে?
(ক) ৩ জানুয়ারি (খ) ৪ জানুয়ারি (গ) ২১ মার্চ (ঘ) ২৩ সেপ্টেম্বর
উত্তর: (ক) ৩ জানুয়ারি।
৪৭. পৃথিবীর কক্ষপথের আকৃতি কেমন?
(ক) বৃত্তাকার (খ) উপবৃত্তাকার (গ) ষড়ভুজাকার (ঘ) অধিবৃত্তাকার
উত্তর: (খ) উপবৃত্তাকার।
৪৮. পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত্রি সমান হয় কোন দুটি দিনে?
(ক) ২১ মার্চ ও ২১ জুন (খ) ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর (গ) ২২ জুলাই ও ২২ ডিসেম্বর (ঘ) ২৩ সেপ্টেম্বর ও ৪ জুলাই
উত্তর: (খ) ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর।
৪৯. নেপচুন তার কক্ষপথে একবার পরিক্রমা করতে কত বছর নেয়?
(ক) ১৬৫ বছর (খ) ১৬০ বছর (গ) ১৫৫ বছর (ঘ) ১৫০ বছর
উত্তর: (ক) ১৬৫ বছর।
৫০. মকরসংক্রান্তির দিন কবে?
(ক) ২১ মার্চ (খ) ২১ জুলাই (গ) ২২ ডিসেম্বর (ঘ) ২৫ ডিসেম্বর
উত্তর: (গ) ২২ ডিসেম্বর।
৫১. আবর্তন গতির ফলে কী ঘটে?
(ক) দিন-রাত্রির সৃষ্টি হয় (খ) দিন-রাত্রির হ্রাস বৃদ্ধি হয় (গ) বছর গণনা হয় (ঘ) ঋতু পরিবর্তন হয়
উত্তর: (ক) দিন-রাত্রির সৃষ্টি হয়।
৫২. পৃথিবীর অক্ষরেখা কক্ষতলের সঙ্গে কত ডিগ্রি কোণে অবস্থান করে?
(ক) ২৩° (খ) ৩০° (গ) ৬০° (ঘ) ৬৬.৫°
উত্তর: (ঘ) ৬৬.৫°।
৫৩. মহাবিষুব কবে ঘটে?
(ক) ২১ মার্চ (খ) ২১ জুন (গ) ২৩ সেপ্টেম্বর (ঘ) ২২ ডিসেম্বর
উত্তর: (ক) ২১ মার্চ এবং (গ) ২৩ সেপ্টেম্বর।
৫৪. পৃথিবীর বার্ষিক গতির সময়কাল কত দিন?
(ক) ৩৬৪ দিন (খ) ৩৬০ দিন (গ) ৩৬৫ দিন (ঘ) ৩৬৭ দিন
উত্তর: (গ) ৩৬৫ দিন।
৫৫. নিচের কোন বছরটি অধিবর্ষ?
(ক) ১৯০০ (খ) ২০০০ (গ) ২১০০ (ঘ) ২৩০০
উত্তর: (খ) ২০০০।
৫৬. পৃথিবীর গতির সংখ্যা কত?
(ক) একটি (খ) দুটি (গ) তিনটি (ঘ) চারটি
উত্তর: (খ) দুটি।
৫৭. কলকাতায় পৃথিবীর আবর্তন বেগ ঘণ্টায় কত?
(ক) ১৫৪৭ কিমি (খ) ১৬৭৪ কিমি (গ) ০ কিমি (ঘ) ৬৬৬ কিমি
উত্তর: (ক) ১৫৪৭ কিমি।
৫৮. সারা বছর দিন-রাত্রি সমান থাকে কোন অঞ্চলে?
(ক) নিরক্ষীয় অঞ্চল (খ) সুমেরু অঞ্চল (গ) কুমেরু অঞ্চল (ঘ) মধ্য অক্ষাংশীয় অঞ্চল
উত্তর: (ক) নিরক্ষীয় অঞ্চল।
৫৯. পৃথিবী সূর্যকে পরিক্রমণ করার গতিকে কী বলে?
(ক) আহ্নিক গতি (খ) আপাত গতি (গ) বার্ষিক গতি (ঘ) দৈনিক গতি
উত্তর: (গ) বার্ষিক গতি।
৬০. নিচের কোন অঞ্চলে ঋতু পরিবর্তন হয় না?
(ক) নিরক্ষীয় অঞ্চল (খ) মেরু অঞ্চল (গ) মধ্য অক্ষাংশ (ঘ) উপক্রান্তীয় অঞ্চল
উত্তর: (ক) নিরক্ষীয় অঞ্চল।
৬১. মুখ্য জোয়ারের বিপরীতে তৈরি হয়—
(ক) উচ্চ জোয়ার (খ) নিম্ন জোয়ার (গ) গৌণ জোয়ার (ঘ) অমাবস্যা জোয়ার
উত্তর: (গ) গৌণ জোয়ার।
৬২. নিচের কোন অঞ্চলে একটানা ৬ মাস রাত্রি থাকে?
(ক) নিরক্ষীয় অঞ্চল (খ) কুমেরু অঞ্চল (গ) সুমেরু অঞ্চল (ঘ) উভয় মেরু অঞ্চল
উত্তর: (ঘ) উভয় মেরু অঞ্চল।
৬৩. পূর্ব দিকে সূর্য উদিত হয় কারণ পৃথিবী কোন দিকে ঘোরে?
(ক) পূর্ব থেকে পশ্চিম (খ) পশ্চিম থেকে পূর্ব (গ) উত্তর থেকে দক্ষিণ (ঘ) দক্ষিণ থেকে উত্তর
উত্তর: (খ) পশ্চিম থেকে পূর্ব।
৬৪. কত বছর অন্তর অধিবর্ষ হিসাব করা হয়?
(ক) দুই (খ) তিন (গ) চার (ঘ) পাঁচ
উত্তর: (গ) চার।
৬৫. নিচের কোন জ্যোতির্বিজ্ঞানী প্রথম বলেন যে সকল গ্রহের কক্ষপথ উপবৃত্তাকার?
(ক) নিউটন (খ) কেপলার (গ) কোপারনিকাস (ঘ) গ্যালিলিও
উত্তর: (গ) কোপারনিকাস।
৬৬. "অহ্ন" শব্দের অর্থ কী?
(ক) রাত (খ) দিন (গ) সময় (ঘ) মাস
উত্তর: (খ) দিন।
৬৭. নিচের কোনটির সূত্রানুসারে বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে বেঁকে যায়?
(ক) নিউটনের সূত্র (খ) ফেরেলের সূত্র (গ) কেপলারের সূত্র (ঘ) ডালটনের সূত্র
উত্তর: (খ) ফেরেলের সূত্র।
৬৮. পৃথিবীর দুই মেরু অঞ্চলে সারাবছরই কেমন আবহাওয়া থাকে?
(ক) গ্রীষ্মকাল (খ) শীতকাল (গ) বর্ষাকাল (ঘ) বসন্তকাল
উত্তর: (খ) শীতকাল।
৬৯. পৃথিবীর আবর্তনের জন্য কী সৃষ্টি হয়?
(ক) কেপলারের বল (খ) নিউটনের বল (গ) কেরিওলিস বল (ঘ) ফ্যারাডের বল
উত্তর: (গ) কেরিওলিস বল।
৭০. অপসূর অবস্থানে পৃথিবীর পরিক্রমণ বেগ কেমন হয়?
(ক) বৃদ্ধি পায় (খ) অপরিবর্তিত থাকে (গ) কমে যায় (ঘ) দ্বিগুণ হয়
উত্তর: (গ) কমে যায়।
৭১. ২১ মার্চ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সূর্যকে কোন দিকে সরতে দেখা যায়?
(ক) উত্তর দিকে (খ) দক্ষিণ দিকে (গ) পূর্ব দিকে (ঘ) পশ্চিম দিকে
উত্তর: (ক) উত্তর দিকে।
৭২. কোন জ্যোতির্বিদ পৃথিবীকেন্দ্রিক মহাবিশ্ব ধারণার পক্ষে মত দেন?
(ক) কেপলার (খ) টলেমি (গ) কোপারনিকাস (ঘ) গ্যালিলিও
উত্তর: (খ) টলেমি।
৭৩. পৃথিবীর পরিক্রমণের জন্যই সূর্যকে আমরা কোথায় উঠতে দেখি?
(ক) পশ্চিম দিকে (খ) পূর্ব দিকে (গ) দক্ষিণ দিকে (ঘ) উত্তর দিকে
উত্তর: (খ) পূর্ব দিকে।
৭৪. পৃথিবী যে পথে সূর্যকে পরিক্রমণ করে, তাকে কী বলে?
(ক) অক্ষ (খ) কক্ষপথ (গ) নিরক্ষরেখা (ঘ) মেরু
উত্তর: (খ) কক্ষপথ।
৭৫. আমাদের এখানে যখন শীতকাল, তখন সূর্য কোথায় থাকে?
(ক) অনেক দূরে (খ) অনেক কাছে (গ) একই দূরত্বে (ঘ) উত্তর গোলার্ধে
উত্তর: (গ) একই দূরত্বে।
৭৬. উত্তর গোলার্ধের ঋতুচক্র কেমন?
(ক) দক্ষিণ গোলার্ধের অনুরূপ (খ) দক্ষিণ গোলার্ধের বিপরীত (গ) সারা বছর একরকম (ঘ) শুধুমাত্র শীত ও গ্রীষ্ম
উত্তর: (খ) দক্ষিণ গোলার্ধের বিপরীত।
৭৭. পৃথিবীর গতির সংখ্যা কত?
(ক) একটি (খ) দুটি (গ) তিনটি (ঘ) চারটি
উত্তর: (খ) দুটি।
৭৮. পৃথিবীর আকৃতি কী ধরনের?
(ক) সম্পূর্ণ গোলাকার (খ) অভিগত গোলক (গ) ত্রিভুজাকার (ঘ) বৃত্তাকার
উত্তর: (খ) অভিগত গোলক।
৭৯. পৃথিবীর কক্ষপথের আকৃতি কেমন?
(ক) বৃত্তাকার (খ) উপবৃত্তাকার (গ) ষড়ভুজাকার (ঘ) সরলরেখা
উত্তর: (খ) উপবৃত্তাকার।
৮০. পৃথিবীর আবর্তনের জন্যই কী হয়?
(ক) দিন-রাত হয় (খ) ঋতু পরিবর্তন হয় (গ) পৃথিবীর পরিক্রমণ হয় (ঘ) সৌরজগত তৈরি হয়
উত্তর: (ক) দিন-রাত হয়।
৮১. মেরু অঞ্চলে একটানা কত মাস রাত থাকে?
(ক) ৩ মাস (খ) ৬ মাস (গ) ৯ মাস (ঘ) ১২ মাস
উত্তর: (খ) ৬ মাস।
৮২. ফেরেলের সূত্র অনুসারে বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধে কোন দিকে বাঁক নেয়?
(ক) বাম দিকে (খ) ডান দিকে (গ) পূর্ব দিকে (ঘ) পশ্চিম দিকে
উত্তর: (খ) ডান দিকে।
✍️অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নগুলির উত্তর দাও(প্রশ্নের মান-১):
১. ২১ জুন থেকে ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত সূর্যের আপাতগতিকে কী বলা হয়?
উত্তর: এটি দক্ষিণায়ন নামে পরিচিত।
২. ২৫ ডিসেম্বর বড়দিনের সময় দক্ষিণ গোলার্ধে আবহাওয়া কেমন থাকে?
উত্তর: এই সময় দক্ষিণ গোলার্ধে গরম পড়ে।
৩. পৃথিবীর কোন স্থানে বছরে ছয় মাস দিন এবং ছয় মাস রাত থাকে?
উত্তর: পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে।
৪. কোন গতির কারণে দিন ও রাত হয়?
উত্তর: পৃথিবীর আবর্তন গতির কারণে।
৫. ‘বিষুব’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: বিষুব শব্দের অর্থ সমান।
৬. পৃথিবীর আলোকিত ও অন্ধকার অংশের সীমান্তরেখাকে কী বলা হয়?
উত্তর: এটি ছায়াবৃত্ত নামে পরিচিত।
৭. যদি পৃথিবীর আবর্তন গতি না থাকত, তাহলে জোয়ারভাটা কত দিন অন্তর ঘটত?
উত্তর: ২৭৩ দিন অন্তর।
৮. সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত হওয়ার প্রধান কারণ কী?
উত্তর: এটি পৃথিবীর আবর্তনগতির কারণে ঘটে।
৯. কোন গতির কারণে দিন ও রাতের পরিবর্তন হয়?
উত্তর: পৃথিবীর আবর্তন গতির কারণে।
১০. পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যকার দূরত্ব সবচেয়ে কম থাকে কোন দিনে?
উত্তর: ৩ জানুয়ারি।
১১. পৃথিবীর আবর্তনের ফলে গতিশীল বস্তুগুলোর গতিপথ পরিবর্তিত হয়— এই সূত্র কে আবিষ্কার করেন?
উত্তর: ফরাসি বিজ্ঞানী গাসপার্ড-গুস্তাভ কোরিওলিস ১৮৩৫ সালে।
১২. ‘অরোরা অস্ট্রালিস’ কোথায় দেখা যায়?
উত্তর: দক্ষিণ মেরুতে।
১৩. কক্ষপথের পরিধি কত?
উত্তর: ৯৬ কিমি।
১৪. কক্ষপথের আকৃতি কেমন?
উত্তর: উপবৃত্তাকার।
১৫. সূর্যের চারপাশে একবার ঘুরতে পৃথিবীর কত সময় লাগে?
উত্তর: ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড।
১৬. ছায়াবৃত্ত কী?
উত্তর: ভূপৃষ্ঠের আলোকিত ও অন্ধকার অংশের সীমারেখাকে ছায়াবৃত্ত বলে।
১৭. সূর্য পৃথিবীর তুলনায় কত গুণ বড়?
উত্তর: ১৩ লক্ষ গুণ বড়।
১৮. কোথায় পৃথিবীর গতিবেগ সবচেয়ে বেশি? উত্তর: নিরক্ষরেখায়।
১৯. ৬০° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশে পৃথিবীর গতিবেগ কত?
উত্তর: ঘণ্টায় ৯৯০ কিমি।
২০. নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর গতিবেগ কত? উত্তর: ঘণ্টায় ১৬৩০ কিমি।
২১. নিজের অক্ষের চারদিকে একবার সম্পূর্ণ আবর্তন করতে পৃথিবীর মোট কত সময় লাগে? উত্তর: ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ২৪ সেকেন্ড।
২২. ‘অহ্ন’ কথাটির অর্থ কী?
উত্তর: দিন।
২৩. মেরু অঞ্চলে রাত্রিকালে যে আলোকবিচ্ছুরণ দেখা যায় তাকে কী বলে? উত্তর: মেরুপ্রভা।
২৪. পৃথিবীর অক্ষ কক্ষতলের সঙ্গে কত ডিগ্রি কোণে হেলে থাকে?
উত্তর: ৬৬.৫°।
২৫. কোন দেশকে ‘নিশীথ সূর্যের দেশ’ বলা হয়?
উত্তর: নরওয়ে।
২৬. কোন দুটি গ্রহ ঘড়ির কাঁটার অভিমুখে আবর্তন করে?
উত্তর: শুক্র ও ইউরেনাস।
২৭. মকরক্রান্তি কোন দিনটিকে বলা হয়? উত্তর: ২২ ডিসেম্বর।
২৮. কর্কটক্রান্তি কোন দিনটিকে বলা হয়? উত্তর: ২১ জুন।
২৯. মহাবিষুব কোন দিনটিকে বলা হয়?
উত্তর: ২১ মার্চ।
৩০. জলবিষুব কোন দিনটিকে বলা হয়?
উত্তর: ২৩ সেপ্টেম্বর।
৩১. আধুনিক জ্যোতির্বিদ্যার জনক কে?
উত্তর: গ্যালিলিও।
৩২. নিশীথ সূর্যের দেশ বলতে কোন স্থানকে বোঝায়?
উত্তর: নরওয়ের হ্যামারফেস্ট বন্দর।
৩৩. উত্তর গোলার্ধে কোন দিনটি মকরসংক্রান্তি?
উত্তর: ২২ ডিসেম্বর।
৩৪. উত্তর গোলার্ধে কোন দিনটি কর্কটসংক্রান্তি?
উত্তর: ২১ জুন।
৩৫. কোন দুটি দিন পৃথিবীর সর্বত্র দিন ও রাত সমান হয়?
উত্তর: ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর।
৩৬. নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর আবর্তন গতিবেগ কত?
উত্তর: ঘণ্টায় ১৬৭০ কিমি।
৩৭. একটি নাক্ষত্রিক দিনের প্রকৃত সময় কত? উত্তর: ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড।
৩৮. ‘বিষুব’ কথাটির অর্থ কী?
উত্তর: সমান দিনরাত্রি।
৩৯. পৃথিবীর কোন বিন্দুতে ঋতু পরিবর্তন হয় না?
উত্তর: মেরু অঞ্চল।
৪০. পৃথিবীর বার্ষিক গতির অপর নাম কী? উত্তর: পরিক্রমণ গতি।
৪১. পৃথিবীর আহ্নিক গতির অপর নাম কী? উত্তর: আবর্তন গতি।
৪২. পৃথিবীর নির্দিষ্ট উপবৃত্তাকার পথকে কী বলা হয়?
উত্তর: পৃথিবীর কক্ষপথ।
৪৩. পৃথিবীর আবর্তন কোন দিক থেকে কোন দিকে হয়?
উত্তর: পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে।
৪৪. কোন গতির কারণে পৃথিবীর মধ্যভাগ স্ফীত হয়েছে?
উত্তর: আবর্তন গতির কারণে।
৪৫. উষাকালের বিপরীত অবস্থা কী?
উত্তর: গোধূলি।
৪৬. পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্ব সবচেয়ে বেশি কখন হয়?
উত্তর: অপসূর অবস্থানে।
৪৭. ২৩ সেপ্টেম্বর তারিখটি কী নামে পরিচিত?
উত্তর: জলবিষুব।
৪৮. মেরুজ্যোতিকে দক্ষিণ গোলার্ধে কী বলা হয়?
উত্তর: কুমেরু প্রভা।
৪৯. সূর্যের আপাত বার্ষিক গতিকে কী বলা হয়?
উত্তর: আপাত গতি।
৫০. কোন দিনটি কর্কটক্রান্তি নামে পরিচিত?
উত্তর: ২১ জুন।
৫১. পৃথিবীর কোন গতির কারণে জোয়ার-ভাটা সংঘটিত হয়?
উত্তর: আবর্তন গতির কারণে।
৫২. পৃথিবীতে চাঁদের আলো আসতে কত সময় লাগে?
উত্তর: প্রায় ১.২ সেকেন্ড।
৫৩. ‘আয়ন’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: পথ।
৫৪. ১ ডিগ্রি দ্রাঘিমার পার্থক্যে সময়ের পার্থক্য কত?
উত্তর: ৪ মিনিট।
৫৫. কোন দিনটি মহাবিষুব নামে পরিচিত?
উত্তর: ২১ মার্চ।
৫৬. উত্তর গোলার্ধে কোন দিনটি দীর্ঘতম রাত হয়?
উত্তর: ২২ ডিসেম্বর।
৫৭. পৃথিবীর কক্ষপথের আকৃতি কেমন?
উত্তর: উপবৃত্তাকার।
৫৮. সূর্য কোন তারিখে মকরক্রান্তি রেখার ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়?
উত্তর: ২২ ডিসেম্বর।
৫৯. কোন দিনটি জলবিষুব নামে পরিচিত?
উত্তর: ২৩ সেপ্টেম্বর।
৬০. ‘বিষুব’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: সমান।
৬১. কোন অক্ষরেখায় উষ্ণতা সবচেয়ে বেশি হয়?
উত্তর: নিরক্ষরেখায়।
৬২. মহাকর্ষ সূত্রটি কে আবিষ্কার করেন?
উত্তর: স্যার আইজ্যাক নিউটন।
৬৩. ‘নিশীথ সূর্যের দেশ’ বলে কোন দেশকে বলা হয়?
উত্তর: নরওয়ে।
৬৪. ২১ জুন থেকে ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত সূর্যের আপাত দক্ষিণমুখী গতিকে কী বলা হয়?
উত্তর: দক্ষিণায়ন।
৬৫. ২৫ ডিসেম্বর বড়দিনের সময় দক্ষিণ গোলার্ধে আবহাওয়া কেমন থাকে?
উত্তর: গরম।
৬৬. পৃথিবীর কোন স্থানে বছরে ছয় মাস দিন এবং ছয় মাস রাত থাকে?
উত্তর: উত্তর ও দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে।
৬৭. কোন গতির কারণে দিন ও রাত হয়?
উত্তর: পৃথিবীর আবর্তন গতির কারণে।
৬৮. কোন দিন পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যে দূরত্ব সবচেয়ে কম থাকে?
উত্তর: ৩ জানুয়ারি।
৬৯. আবর্তনের ফলে গতিশীল বস্তুগুলোর গতিপথ পরিবর্তিত হয়— এই সূত্র কে আবিষ্কার করেন?
উত্তর: গাসপার্ড-গুস্তাভ কোরিওলিস, ১৮৩৫ সালে।
৭০. ‘অরোরা অস্ট্রালিস’ কোথায় দেখা যায়?
উত্তর: দক্ষিণ মেরুতে।
৭১. ‘বিষুব’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: সমান।
৭২. পৃথিবীর আলোকিত ও অন্ধকার অংশের সীমান্তরেখাকে কী বলা হয়?
উত্তর: ছায়াবৃত্ত।
৭৩. যদি পৃথিবীর আবর্তন গতি না থাকত, তাহলে জোয়ারভাটা কত দিন অন্তর ঘটত?
উত্তর: ২৭৩ দিন অন্তর।
৭৪. সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত হওয়ার প্রধান কারণ কী?
উত্তর: পৃথিবীর আবর্তনগতির কারণে।
৭৫. পৃথিবীর কোন গতির ফলে দিনরাত্রি হয়?
উত্তর: আবর্তন গতি।
৭৬. কোন বিজ্ঞানী প্রথম প্রমাণ করেন যে, সূর্যের চারদিকে পৃথিবী ঘুরছে?
উত্তর: নিকোলাস কোপারনিকাস।
৭৭. পৃথিবীর কয়টি গতি রয়েছে এবং সেগুলোর নাম কী?
উত্তর: দুটি— আহ্নিক গতি ও বার্ষিক গতি।
৭৮. পৃথিবীর কোন অঞ্চলে ঋতু পরিবর্তন হয় না?
উত্তর: নিরক্ষীয় অঞ্চলে।
৭৯. একটি অক্ষাংশভিত্তিক মহাবৃত্তের নাম লেখ।
উত্তর: নিরক্ষরেখা।
✍️সংক্ষিপ্ত প্রশ্নগুলির উত্তর দাও(প্রশ্নের মান-২):
১. ছায়াবৃত্ত বা আলোকবৃত্ত কী?
উত্তরঃ- পৃথিবী গোলাকার হওয়ার ফলে সূর্যের আলো সর্বত্র একই সময়ে পৌঁছায় না। একদিকে যখন আলো পড়ে, তখন অপরদিকে অন্ধকার থাকে। এই আলোকিত ও অন্ধকার অংশের মধ্যে যে সীমারেখা গঠিত হয়, তাকে ছায়াবৃত্ত বা আলোকবৃত্ত বলে।
২. ঋতুচক্র কী?
উত্তরঃ- বছরজুড়ে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে নির্দিষ্ট সময়ে গ্রীষ্ম, বর্ষা, শীত ও বসন্তের মতো ঋতুর পর্যায়ক্রমিক পরিবর্তনকে ঋতুচক্র বলে।
৩. অধিবর্ষ বা লিপ ইয়ার বলতে কী বোঝো?
উত্তরঃ- সাধারণত এক বছর ৩৬৫ দিন হয়, তবে প্রতি চার বছরে একবার ফেব্রুয়ারি মাসে ২৯ দিন থাকে, ফলে সেই বছরটি ৩৬৬ দিনের হয়। একে অধিবর্ষ বা লিপ ইয়ার বলে।
৪. বার্ষিক গতি বা পরিক্রমণ গতি কী?
উত্তরঃ- পৃথিবী তার নিজ অক্ষের ওপর আবর্তিত হওয়ার পাশাপাশি সূর্যের চারদিকে নির্দিষ্ট পথে পরিক্রমণ করে। এই গতিকে বার্ষিক গতি বা পরিক্রমণ গতি বলে। পৃথিবী সূর্যের চারদিকে একবার পরিক্রমণ করতে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড সময় নেয়।
৫. ফেরেলের সূত্র কী?
উত্তরঃ- পৃথিবীর আবর্তন গতির ফলে বাতাস ও সমুদ্রস্রোত উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাঁ দিকে বেঁকে যায়। মার্কিন বিজ্ঞানী উইলিয়াম ফেরেল প্রথম এই সূত্রটি আবিষ্কার করেন, তাই একে ফেরেলের সূত্র বলা হয়।
৬. পৃথিবীর আবর্তন গতির ফলে কী কী ঘটে?
উত্তরঃ- পৃথিবীর আবর্তন গতির ফলে—
(ক) দিন ও রাতের সৃষ্টি হয়,
(খ) নদী, সমুদ্র ও হ্রদে জোয়ার-ভাটা ঘটে,
(গ) সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখা যায়,
(ঘ) বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোতের গতিতে পরিবর্তন আসে।
৭. সৌর দিন কী?
উত্তরঃ- নির্দিষ্ট একটি দ্রাঘিমারেখায় পরপর দুটি মধ্যাহ্নের মধ্যে সময়ের ব্যবধানকে সৌর দিন বলে। সৌর দিনের সময়কাল ২৪ ঘণ্টা।
৮. আবর্তন গতি বা আহ্নিক গতি কী?
উত্তরঃ- পৃথিবী তার নিজ অক্ষের চারদিকে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ঘুরতে থাকে। এই গতিকে আবর্তন গতি বা আহ্নিক গতি বলে। পৃথিবী একবার আবর্তন সম্পন্ন করতে প্রায় ২৪ ঘণ্টা সময় নেয়।
৯.সূর্যের আপাত দৈনিক গতি বা রবি মার্গ কাকে বলে?
উত্তর: পৃথিবী নিজ অক্ষে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তিত হয়। কিন্তু এই ঘূর্ণনের ফলে আমাদের দৃষ্টিতে সূর্যকে পূর্ব দিক থেকে পশ্চিম দিকে আকাশে চলতে দেখা যায়। এই আপাত গতিকেই সূর্যের দৈনিক আপাত গতি বা রবি মার্গ বলা হয়। এটি সম্পূর্ণভাবে পৃথিবীর আহ্নিক গতির কারণে ঘটে।
✍️সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যামূলক প্রশ্নগুলির উত্তর দাও(প্রশ্নের মান-৩):
১. অস্ট্রেলিয়ায় বড়দিনের সময় গ্রীষ্মকাল থাকে কেন?
উত্তর: ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন উদযাপিত হয়। এই সময় উত্তর গোলার্ধে শীতকাল থাকলেও দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল থাকে। অস্ট্রেলিয়া দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত, তাই সেখানে এই উৎসব গ্রীষ্মকালে পালিত হয়।
২. নরওয়েকে নিশীথ সূর্যের দেশ বলা হয় কেন?
উত্তর: নরওয়েকে নিশীথ সূর্যের দেশ বলা হয়, কারণ ২১ মার্চ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দীর্ঘ ছয় মাস সূর্যাস্ত হয় না। পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধ এই সময়ে সূর্যের দিকে বেশি ঝুঁকে থাকায় সুমেরু অঞ্চলে ২৪ ঘণ্টাই আলো থাকে। ফলে নরওয়ের কিছু অংশে, বিশেষ করে হ্যামারফেস্ট বন্দরে, গভীর রাতেও সূর্য দেখা যায়।
৩. ডিসেম্বর মাসে বিজ্ঞানীরা আন্টার্কটিকায় গবেষণা করতে যান কেন?
উত্তর: ডিসেম্বর মাসে দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল থাকে, যার ফলে আন্টার্কটিকার তাপমাত্রা তুলনামূলকভাবে সহনীয় হয়। এই সময়ে দিনের আলো দীর্ঘ সময় থাকায় গবেষণা ও পর্যবেক্ষণের সুযোগ বাড়ে। পাশাপাশি, বরফ কিছুটা গলে যাওয়ায় মহাদেশের ভেতরে সহজে প্রবেশ করা যায়, যা গবেষণার জন্য সুবিধাজনক।
৪. মহাবিষুব ও জলবিষুব বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: ‘বিষুব’ বলতে এমন দিন বোঝায়, যেদিন পৃথিবীর সব স্থানে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য সমান হয়।
- মহাবিষুব: ২১ মার্চ সূর্যরশ্মি নিরক্ষরেখার ওপর সরাসরি পড়ে, ফলে দিন ও রাত সমান হয়। এই ঘটনাকে মহাবিষুব বলা হয়।
- জলবিষুব: ২৩ সেপ্টেম্বর একই ঘটনা পুনরায় ঘটে, যাকে জলবিষুব বলা হয়।
৫. পৃথিবীর অপসুর ও অনুসুর অবস্থান কী?
উত্তর: পৃথিবী সূর্যের চারদিকে উপবৃত্তাকার কক্ষপথে পরিভ্রমণ করায় সূর্য থেকে তার দূরত্ব সারা বছর সমান থাকে না।
- অনুসুর: ৩ জানুয়ারি পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছে থাকে, যা প্রায় ১৪ কোটি ৭০ লাখ কিলোমিটার। এই অবস্থাকে অনুসুর বলা হয়।
- অপসুর: ৪ জুলাই পৃথিবী সূর্যের থেকে সবচেয়ে দূরে থাকে, যা প্রায় ১৫ কোটি ২০ লাখ কিলোমিটার। এই অবস্থাকে অপসুর বলা হয়।
৬. নিরক্ষরেখার কাছে পৃথিবীর আবর্তন বেগ সবচেয়ে বেশি কেন?
উত্তর: পৃথিবীর আকৃতি অভিগত গোলকের মতো, যার ফলে এটি মাঝখানে কিছুটা ফোলা এবং মেরুর দিকে সংকুচিত। নিরক্ষরেখার পরিধি সবচেয়ে বড়, প্রায় ৪০,০০০ কিলোমিটার। পৃথিবী ২৪ ঘণ্টায় একবার ঘূর্ণন সম্পূর্ণ করে, তাই নিরক্ষরেখার অংশগুলোর তুলনামূলকভাবে বেশি পথ অতিক্রম করতে হয়। এই কারণে নিরক্ষরেখার কাছে পৃথিবীর আবর্তন বেগ সবচেয়ে বেশি হয়।
৭. পৃথিবীর আবর্তন গতি সময় নির্ধারণে কীভাবে সাহায্য করে?
উত্তর: পৃথিবীর নিজ অক্ষে ঘূর্ণন বা আহ্নিক গতি সময় নির্ধারণের মূল ভিত্তি। পৃথিবী একবার নিজ অক্ষের চারদিকে ঘূর্ণন সম্পন্ন করতে প্রায় ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট সময় নেয়, যা প্রায় ২৪ ঘণ্টার সমান ধরা হয়। এই একটি সম্পূর্ণ আবর্তনকে এক দিন হিসেবে গণ্য করা হয়, যা সময় নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
✍️রচনাধর্মী প্রশ্নগুলির উত্তর দাও(প্রশ্নের মান-৫):
১. পৃথিবীর বার্ষিক গতির ফলাফলগুলি আলোচনা করো।
উত্তর:
দিন ও রাতের দৈর্ঘ্যের পরিবর্তন:পৃথিবী তার কক্ষপথে সূর্যের চারদিকে পরিক্রমণ করার ফলে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য সারা বছর একরকম থাকে না। নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অঞ্চলগুলিতে দিন ও রাত সমান হলেও অন্যান্য স্থানে একটির দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পেলে অপরটি হ্রাস পায়।
ঋতু পরিবর্তন:
পৃথিবীর পরিক্রমণ গতির কারণে সূর্যের আলো বিভিন্ন সময়ে পৃথিবীর বিভিন্ন অংশে বিভিন্নভাবে পড়ে। এর ফলে বছরের নির্দিষ্ট সময়ে গ্রীষ্ম, শীত, বর্ষা ও অন্যান্য ঋতু পর্যায়ক্রমে পরিবর্তিত হয়।
অপসুর ও অনুসুর অবস্থান:
পৃথিবীর কক্ষপথ পুরোপুরি গোলাকার না হয়ে উপবৃত্তাকার হওয়ায় এটি সূর্যের কাছাকাছি ও দূরে অবস্থান করে। যখন পৃথিবী সূর্য থেকে সবচেয়ে দূরে থাকে, তখন তাকে অপসুর (152 মিলিয়ন কিমি) এবং যখন সবচেয়ে কাছে থাকে, তখন তাকে অনুসুর (147 মিলিয়ন কিমি) বলা হয়।
২. পৃথিবীতে ঋতু পরিবর্তনের কারণগুলি কী কী?
উত্তর:
পৃথিবীর অভিগত গোলক আকৃতি:
পৃথিবী অভিগত গোলকাকার হওয়ায় সূর্যের রশ্মি কোথাও সরাসরি পড়ে, আবার কোথাও তির্যকভাবে পৌঁছায়। এর ফলে ভূপৃষ্ঠের বিভিন্ন অংশে তাপমাত্রার পার্থক্য ঘটে, যা ঋতু পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ।
পৃথিবীর আবর্তন গতি:
পৃথিবী তার অক্ষের চারদিকে ঘূর্ণন করার ফলে দিন ও রাতের সৃষ্টি হয়। এই গতির কারণে বিভিন্ন স্থানে তাপমাত্রার পরিবর্তন ঘটে, যা ঋতু পরিবর্তনে ভূমিকা রাখে।
পৃথিবীর পরিক্রমণ গতি:
পৃথিবী সূর্যকে এক নির্দিষ্ট উপবৃত্তাকার কক্ষপথে প্রতি বছর একবার পরিক্রমণ করে। এই গতির ফলে বছরের বিভিন্ন সময়ে সূর্যরশ্মি ভূপৃষ্ঠের বিভিন্ন অংশে বিভিন্নভাবে পড়ে, যা ঋতু পরিবর্তনের কারণ হয়।
পৃথিবীর উপবৃত্তাকার কক্ষপথ:
পৃথিবীর কক্ষপথ সম্পূর্ণ গোলাকার না হয়ে উপবৃত্তাকার হওয়ায় সূর্যের সঙ্গে পৃথিবীর দূরত্ব সারা বছর একরকম থাকে না। এই দূরত্বের তারতম্যের ফলে উষ্ণতার পরিবর্তন হয়, যা ঋতু পরিবর্তনের আরেকটি কারণ।
৩. পৃথিবীর আবর্তন গতির ফলে কী কী প্রভাব পড়ে?
উত্তর:
সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত:
পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তিত হয় বলে আমরা প্রতিদিন পূর্ব দিকে সূর্যোদয় এবং পশ্চিম দিকে সূর্যাস্ত দেখি। এই চলাচল সূর্যের আপাত গতি তৈরি করে, যা আমাদের দিন ও রাতের অভিজ্ঞতা দেয়।
দিন ও রাতের বিভিন্ন অবস্থা:
আহ্নিক গতির ফলে সূর্যালোকের অবস্থান পরিবর্তিত হয়, যার ফলে সকাল, দুপুর, বিকেল, সন্ধ্যা ও মধ্যরাতের মতো সময় বিভাজন ঘটে। এটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনচক্রের সঙ্গে সম্পর্কিত।
নিয়তবায়ু ও সমুদ্রস্রোতের দিক পরিবর্তন:
পৃথিবীর আবর্তনের কারণে কোরিওলিস বল সৃষ্টি হয়, যা বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোতকে নির্দিষ্ট দিকে মোড় নেয়। উত্তর গোলার্ধে বায়ু ও স্রোত ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়।
দিন ও রাতের সৃষ্টি:
আবর্তনের ফলে পৃথিবীর যে অংশ সূর্যের সামনে থাকে, সেখানে দিন হয় এবং বিপরীত অংশে রাত নামে। এই কারণেই আমরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দিনের ও রাতের পরিবর্তন দেখতে পাই।
জোয়ার-ভাটার প্রভাব:
পৃথিবীর আবর্তনের সঙ্গে চাঁদের মহাকর্ষীয় আকর্ষণের ফলে প্রতিদিন দুটি জোয়ার ও দুটি ভাটা ঘটে। এটি সমুদ্রের জলের ওঠানামা নিয়ন্ত্রণ করে এবং উপকূলীয় পরিবেশকে প্রভাবিত করে।
সময় নির্ধারণ:
পৃথিবী তার অক্ষে একবার ঘূর্ণন করতে ২৪ ঘণ্টা সময় নেয়, যা একটি পূর্ণ দিন হিসেবে গণ্য হয়। এই নিরবচ্ছিন্ন আবর্তনের ফলে আমরা ঘড়ির মাধ্যমে সময় হিসাব করতে পারি।
উদ্ভিদ ও প্রাণিজগতের বিকাশ:
আবর্তনের ফলে দিন ও রাতের সামঞ্জস্য বজায় থাকে, যা উদ্ভিদ ও প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। যদি পৃথিবী আবর্তিত না হতো, তাহলে একদিকে দীর্ঘদিন ধরে দিন ও অন্যদিকে রাত থাকত, যা জীবজগতের জন্য ক্ষতিকর হতো।
👉Our WhatsApp Channel:লেখাপড়া Online.
<<<<<<<<<<<<🌹সমাপ্ত🌹>>>>>>>>>>>>>>>

